পরীক্ষায় বেশি নম্বর, মেয়ের সহপাঠীকে বিষ খাইয়ে হত্যা করলেন মা

পড়াশুনা থেকে শুরু করে এক্সট্রা কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটি কিছুতেই সহপাঠীকে হারাতে পারে না মেয়ে। তাই ঈর্ষান্বিত হয়ে মেয়ের স্কুলের সহপাঠীকে বিষ খাইয়ে হত্যা করেছেন ৪২ বছর বযসী এক নারী।শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়। এরপর রোববার ওই নারীকে কারাগারে পাঠানো হয়।ভারতের তামিল নাড়ুর পদুচেরির কারাইকালে এ

ঘটনা ঘটেছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও নিউজ। অভিযুক্ত নারীর নাম জে সাগায়ারানি ভিক্টোরিয়া।এসএসপি (কারাইকাল) আর লোকেশ্বরন বলেছেন, ভিক্টোরিয়া ঈর্ষান্বিত ছিলেন যে ১৩ বছর বয়সী বালা মানিকন্দন সবসময় তার মেয়ের চেয়ে ভাল করেছিল। তারা দু’জনই অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। শুক্রবার স্কুলের বার্ষিক

দিবসের অনুষ্ঠানে ভিক্টোরিয়া একজন গার্ডকে বলেন, তিনি মানিকন্দনের মা এবং একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার পর তাকে দুটি কোমল পানীয়ের বোতল তুলে দিতে বলেছিলেন।এরপর মানিকন্দন একটি বোতল পানীয় পান করে। কিন্তু বাড়িতে পৌঁছে বমি করতে শুরু করে। তার বাবা-মা তাকে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যান, সেখানে চিকিৎসা শেষে

তাকে বাড়ি নিয়ে আসা হয়। শনিবার মানিকন্দন আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তাকে কারাইকাল সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার রাতে মারা যায় সে। এর আগে মানিকন্দন তার মাকে বলেছিলে, সে একজন গার্ডের মাধ্যমে পাঠানো কোমল পানীয় পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল।যেহেতু তিনি কোমল পানীয় পাঠাননি তাই কোথাও কিছু

একটা হয়েছে বুঝতে পারেন মানিকন্দন। তখন কারাইকাল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এসএসপি লোকেশ্বরন বলেছেন, তদন্তের সময় পুলিশ ভিক্টোরিয়াকে শনাক্ত করে শনিবার তাকে ধরে নিয়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গার্ডকে ‘ডায়রিয়ার একটি ওষুধ’ মেশানো কোমল পানীয়ের দুটি বোতল দেয়ার কথা স্বীকার করে। পুলিশ ভিক্টোরিয়াকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে এবং স্থানীয় আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.