মেয়েকে হত্যা করে গলায় গামছা পেঁচিয়ে মৃত্যুর নাটক সাজান মা’

রেগে গিয়ে মেয়ে ফাতিমার গলা চিপে ধরে মেঝেতে ফেলে রেখে বাইরে চলে যান মা হাওয়া। পরে ঘরে ফিরে দেখেন ফাতেমার মৃত্যু হয়েছে। এরপর হত্যার ঘটনা আড়াল করতেই খেলতে গিয়ে গলায় গামছা ফাঁস লেগে তার মৃত্যু হয়েছে

বলে আশপাশের লোকজন ডেকে আনেন।এ সময় স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ও আদালতের কাছে এমনটাই স্বীকার করেছেন মা হাওয়া বেগম। ঘটনাটি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের।

এদিকে ঘটনার দিন পুলিশ শিশুটির মা হাওয়া বেগমকে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় গরমিল পাওয়া যায়। পরে তিনি নিজ সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই মো.আরফান খান জানান, নিজ সন্তানকে হত্যার বিষয়ে মা হাওয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২৩ আগস্ট সন্ধ্যায় ভূঞাপুর উপজেলার নিকলাদড়ি পাড়া গ্রামে মা হাওয়া হাওয়া বেগম কর্তৃক এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে খেলারস্থলে গামছা পেঁচিয়ে ফাতিমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.