ইমোতে প্রেম, বিয়ের ১৭ দিন না যেতেই প্রেমিকের বাড়িতে নবমের ছাত্রী

সপ্তাহ দুয়েক আগে নতুন সংসার বাঁধেন প্রিয়া (ছদ্মনাম)। এর মধ্যেই ইমোতে সম্পর্ক গড়ে ওঠে পিয়াসের সঙ্গে। আর সেই টানে বিয়ের ১৭ দিন না যেতেই স্বামীকে ছেড়ে ওঠেন প্রেমিকের বাড়িতে। তবে প্রেমিকের ঘরে প্রিয়ার আশ্রয় মিললেও

পালিয়েছেন পিয়াস।ঘটনাটি ভোলার লালমোহনের। প্রেমিকের বাড়িতে ওঠা এ নববধূ সবেমাত্র নবম শ্রেণির ছাত্রী। তার বাড়ি ঢাকার মাদারটেক এলাকায়। মেয়ে চলে আসায় ফেরতও নিচ্ছেন না বাবা-মা ও স্বামী। এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পিয়াসের পরিবার।

পিয়াসের বাড়ি লালমোহনের পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায়। তার বাবার নাম মো. নেছার উদ্দিন। তিনি গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দেন।জানা গেছে, ইমোতে পিয়াসের সঙ্গে নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এরপর তাদের যোগাযোগ হতো মুঠোফোনে। এরই মধ্যে ঢাকায় মেয়েকে বিয়ে দেন বাবা-মা। বিয়ের পর স্বামীর বাড়িতে থাকলেও ১৭ দিনের মাথায় শনিবার লঞ্চে ভোলায় আসেন নবম শ্রেণির এ ছাত্রী। ওঠেন পিয়াসের বাড়িতে। কিন্তু প্রেমিকা আসতেই পালিয়ে যান পিয়াস।

এ নিয়ে ওই ছাত্রীর মা-বাবার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু মেয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে আসায় নিতে চাইছেন না তারা। স্বামীও আর ঘরে তুলতে চান না।ওই ছাত্রী জানান, তার সঙ্গে পিয়াসের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু ১৭ দিন আগে তাকে

বিয়ে দেন বাবা-মা। বিয়ের পরও পিয়াসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। ইমোতে তাদের প্রতিদিন কথা হতো। ইমোতেই নিজ বাড়ির ঠিকানা দেন পিয়াস। এরপর স্বামীর সংসার ছেড়ে তিনি এখানে আসেন। পিয়াসকে বিয়ে করে তাদের বাড়িতেই থেকে যাবেন বলেও জানান।

পিয়াসের খালাতো ভাই রাফেজ জানান, মেয়েটির এখনো বিয়ের বয়স হয়নি। এরপরও তাকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বয়স হলে পিয়াসের সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করা হতো।লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.