যে কারণে হত্যা করা হয় নৈশপ্রহরীকে

যশোরের অভয়নগর উপজেলা থেকে নৈশপ্রহরী মিন্টু তরফদারের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অপমানের প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে মিন্টুকে হত্যা করেছে ওই দুই যুবক। আদালতে জবানবন্দি দিয়ে বিষয়টি স্বীকার করেছে তারা।

সোমবার (২২ আগস্ট) সকালে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গাজীপুর নিম্নস্মরণপাড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে নিহত মিন্টুর মোবাইল উদ্ধার করেছে পিবিআই।নিহত মিন্টু তরফদার (৬০) উপজেলার নওয়াপাড়া

গ্রামের মুসা তরফদারের ছেলে। তিনি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সরকার গ্রুপের দুর্গাপুর এলাকার ভৈরব নদের ঘাটের নৈশপ্রহরী ছিলেন। শনিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে অফিসের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার হয়। মিন্টুর

মুখমণ্ডল রক্তাক্ত ও গলায় হলুদ রঙের একটি গামছা পেঁচানো ছিল। এ ঘটনায় মিন্টুর স্ত্রী জুলেখা বেগম অভয়নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার রেশমা শারমীন বলেন, মামলার পর পুলিশের পাশাপাশি এ ঘটনার

ছায়া তদন্ত শুরু করে পিবিআই। নিহতের মোবাইলফোন নম্বর ট্র্যাকিং করে রায়হান ও আশিককে শনাক্ত করা হয়। তারা গাংনী উপজেলার কাজিপুর নিম্নস্মরণপাড়ার একটি বাড়িতে আত্মগোপনে ছিল। অভিযান চালিয়ে সোমবার সকালে তাদের

গ্রেফতার করা হয়। তারা হত্যার কথা স্বীকার করে যশোরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালালের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। আদালতে দেওয়া জবানবন্দির বরাত দিয়ে রেশমা শারমীন বলেন, গ্রেফতারকৃতরা আদালতকে

জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে গভীর রাতে অভয়নগরের তালতলা এলাকার সরকার ট্রেডার্সের সামনে ঘোরাঘুরি করার সময় তাদের সন্দেহ করে কান ধরে ওঠবস করান মিন্টু তরফদার। ওই অপমানের প্রতিশোধ নিতে পরিকল্পিতভাবে মিন্টুকে হত্যা করে তারা। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.