শিশুরা রোজই নতুন জিনিস শেখে। ঘুম ভাল হলে নতুন শেখা জিনিস আত্মস্থ হয় সহজে। কাজেই ঘুম ভাল হলে লেখাপড়াও ভাল হবে।আমেরিকার ‘স্লিপ ফাউন্ডেশন’-এর এক গবেষণা বলছে, প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার।

কিন্তু পাঁচ বছরের কমবয়সি শিশুদের দৈনিক প্রায় ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা ঘুম জরুরি। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ভবিষ্যতে নানা রকম ব্যাধি ডেকে আনতে পারে। তা ছাড়া, শিশুরা এই সময়ে রোজই হরেক রকম জিনিস শেখে। ঘুম ভাল হলে নতুন

শেখা সে সব জিনিস আত্মস্থ হয় সহজে। কাজেই ঘুম ভাল হলে লেখাপড়াও ভাল হবে।
১। চেষ্টা করুন যাতে সন্তান রোজ একই সময়ে শুতে যেতে পারে। এই অভ্যাস তৈরি হয়ে গেলে রোজ একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর আর জেগে থাকতে পারবে না খুদেরা।

২। টিভি, ল্যাপটপ কিংবা ফোন ব্যবহার করলে মস্তিস্ক সজাগ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে। শুতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টাখানেক আগে তাঁকে টিভি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এখন অনেক শিশুই মোবাইলে হরেক রকমের ভিডিয়ো দেখে। চেষ্টা করুন যেন শুতে যাওয়ার আগে সন্তান মোবাইল ব্যবহার না করে।

৩। সন্তানকে খেলাধুলো থেকে বঞ্চিত করবেন না। খেলাধুলো করলে এমনিতেই শরীরে ক্লান্তি আসে। ফলে ঘুম আসে সহজে। খেলাধুলো করলে সামগ্রিক ভাবেই ভাল থাকে স্বাস্থ্য।৪। শোয়ার সময়ে বিশেষ কোনও একটি কাজ অভ্যাস করান

সন্তানকে। নিয়মিত গল্প পড়ে শোনাতে পারেন সন্তানকে। এতে সাহিত্যের প্রতি আগ্রহও বাড়বে। নিয়মিত ঘুমের আগে এই ধরনের কাজ করলে রোজ একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.