এবার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে খালার হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়ে ব্যাপক চঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে ভাগিনা। উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের চর বাচড়া গ্রামে প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে বিয়ের উদ্দেশ্যে খালাকে নিয়ে উধাও হয়েছে স্কুল ছাত্র মোঃ রাসেল হোসেন। পোরজনা এমএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ রাসেল হোসেন পোরজনা ইউনিয়নের চর বাচরা গ্রামের জেলহক হোসেনের পুত্র। অপরদিকে রাসেলের খালা আল্লাদী খাতুন একই গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

জানা যায়, চর বাচরা গ্রামের জেলহক হোসেনের পুত্র পোরজনা এম এন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ রাসেল হোসেন তার মায়ের আপন চাচাতো বোন আল্লাদী খাতুনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। দুজন একই স্কুলে লেখাপড়ার সুবাদে আল্লাদী খাতুনের সাথে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। খালা- ভাগিনা সম্পর্কের কারণে তাদের ঘনিষ্ঠ চলাফেরাকে পরিবারের লোকজন সন্দেহের উর্ধ্বে রাখে। কিন্তু হঠাৎ করেই ৩১ জুলাই সোমবার স্কুলে যাওয়ার কথা বলে আল্লাদী খাতুন স্কুল ব্যাগে বইয়ের পরিবর্তে প্রয়োজনীয় জামাকাপড় নিয়ে বাড়ী থেকে বের হয়।

এরপর সারাদিন বাড়ীতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোজাখুজি করে জানতে পারে আল্লাদী খাতুন ভাগিনা রাসেলের হাত ধরে বিয়ের উদ্দেশ্যে গাজীপুরে চলে গেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই আল্লাদী খাতুনের বাবা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছে। এদিকে ভাগিনা রাসেলের বাবা- মা দুজনই গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরত থাকার সুবাদে রাসেল ও আল্লাদী সেখানেই অবস্থান করছে বলে জানান আল্লাদীর পরিবার। তবে ভাগিনার সাথে খালার প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় দারুন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে পোরজনা ইউপ সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হাসেম জানান, আমি শুনেছি চর বাচরা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে আল্লাদী খাতুন ভাগিনার সাথে পালিয়ে গেছে। মেয়ের বাবা থানায় জিডিও করেছেন। শাহজাদপুর থানার অফিসার ছিলেন (অপারেশন) আব্দুল মজিদ জানান, মেয়ের বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। ছেলেমেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.