শিশুটির বয়স মাত্র ১৮ মাস। এই বয়সেই শিশুটিকে জার্মান বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে তুলনা করছেন অনেকেই। তবে প্রখর বুদ্ধিমত্তার কারণে নয়, বরং চুলের কারণে।শিশুটির চুল এলোমেলো ও বেশ ফোলানো। দেখতে অনেকটা আইনস্টাইনের চুলের মতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির ছবি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে তা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শিশুটির নাম লায়লা ডেভিস। যুক্তরাজ্যের স্যাফোকের গ্রেট

ব্ল্যাকেনহামে মা চার্লট ও বাবা কেভিনের ঘরে জন্ম নিয়েছে শিশুটি।জন্মের পর থেকেই মেয়ে লায়লার চুল বেশ বড় ও ফোলানো। অনেকটা ঝাঁকড়া চুলের মতো। সব সময় এলোমেলো থাকে। কোনোভাবেই তার চুল বিন্যস্ত রাখা যায় না। আসলে লায়লা চুলের একটি রোগে ভুগছে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় শিশুটির ছবি ভাইরাল হয়। ছবিটি পোস্টের সঙ্গে সঙ্গেই হুমড়ি খেতে পরেন পেজের অনুসারীরা। অনেকে মন্তব্য

লিখেন, এ যেন ছোট্ট আইনস্টাইন!শিশু লায়লা ডেভিসের চুলগুলো দেখতে আইনস্টাইনের মতো। এলোমেলো ও বেশ ফোলানো। যা দেখে চোখ আটকে যায় মুহূর্তেই। ব্যাপক সাড়াও পড়ে।মা চার্লট বলেন, জন্মের পর থেকেই মেয়ে লায়লার চুল বাদামি রঙের। বেশ বড়, অগোছালো এবং ঝাঁকড়া। কোনোভাবেই চুলগুলো আঁচড়ে রাখা যায় না।

বিবিসি জানায়, নজর কেড়ে নেয়া এই শিশুটি জটিল রোগে ভুগছে। যার কারণেই সে দেখতে এমন। জন্মগতভাবেই এই রোগে আক্রান্ত লায়লা। যাকে বলা হয় আনকমবেবল হেয়ার সিনড্রোম (ইউএইচএস)। বিশ্বে এই রোগের সন্ধান খুব একটা পুরোনো নয়। ১৯৭৩ সালে প্রথম এই রোগটি শনাক্ত হয়। বিশ্বে মাত্র ১০০ জনের রয়েছে এই বিরল রোগ। বিজ্ঞানীরা জানান, বিরল এই রোগের পেছনে জিনগত কারণই দায়ী।

মা চার্লট বলেন, কিছুদিন আগেই এই রোগটি শনাক্ত হয়। এক বছর বয়সেই লায়লার চুল ফুলে উঠে। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি ঠিক হয়ে যাবে ভেবেছি। কিন্তু চুল আরো বড় হতে থাকে এবং এলোমেলোই থাকে। পরে ডক্টর জানান, এই বিরল রোগের কারণেই লায়লার চুল এমন হয়েছে। এই রোগ সেরে উঠবে সেই প্রার্থণাই করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.