দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারো অস্থিতিশীল করে তুলতে বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের নামে জনগণকে দুর্দশায় ফেলতে ব্যস্ত বিএনপি। তাদের উদ্দেশ্য জনগণকে দুর্ভোগে ফেলে তার দোষ সরকারের ঘাড়ে ফেলা ও রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি। বিদ্যুৎ নিয়ে সরকার যখন সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে তখনই রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে ও জনগণের দুর্ভোগ সৃষ্টি করতে আন্দোলনের ডাক দিয়েছে দলটি। সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করে বিএনপি। ফলে প্রেসক্লাব হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সড়ক বন্ধ করে সমাবেশ করার ফলে মৎস্য ভবন মোড় থেকে সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট। অফিসগামী অনেককেই এ সময় বাস ছেড়ে পায়ে হেঁটেই অফিসে রওনা দিতে দেখা যায়। আবার কাউকে দেখা যায় বাড়িতে ফিরে যেতে। ব্যাংক কর্মকর্তা বিপ্লব মিয়া এসেছিলেন সেগুনবাগিচা থেকে বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে। বিএনপির সৃষ্ট এই ভোগান্তির শিকার হন তিনি। বিপ্লব বলেন, আজকে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের অ্যাপয়েনমেন্ট ছিল। তাই আগেভাগে রওনা দেই। কিন্তু বিএনপির আন্দোলনের কারণে আশেপাশে জ্যাম লেগে যায়। ঐ আন্দোলনরত কর্মীরা আমাকে রাস্তা ছেড়ে চলে যেতে হুমকিও দেন।

আন্দোলনের নামে জনভোগান্তির বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থের জন্য জনগণকে ক্ষুদ্রতর স্বার্থ পরিত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় জনগণের মুক্তি সম্ভব নয়। লোডশেডিংয়ের অভিযোগে বিএনপির বিক্ষোভ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বুদ্ধিজীবীরা বলেন, দেশের জনগণ বিএনপির এহেন কর্মকাণ্ডকে শতাব্দীর সেরা কৌতুক বলে মনে করছে। কেননা জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নিজেদের শাসনামলেই বিদ্যুৎ দিতে পারেনি।

জনগণ বিদ্যুৎ চাইলেই গুলি করতো বিএনপি। জনগণ সেই দুঃসহ অতীত ভোলেনি। তাই জনগণকে নিয়ে বিএনপির ভাবনা যতটুকু না, তারচেয়ে বেশি নিজেদের ক্ষমতার লোভ। তাই এমন একটি দলকে জনগণ আর বিশ্বাস করে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.