ট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ১০ জনের দাফন ও একজনের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। হাটহাজারীর খন্দকিয়া ছমদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে জানাজা ও বেলা ১১টায় দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে, শুক্রবার রাতেই দুজনের দাফন করা হয়। সকালে আরো তিনজনকে নিজ নিজ এলাকায় দাফন করা হয়। আর একজনের শেষকৃত্য রাতেই করা হয়েছে। চিকনদন্ডী ইউনিয়নের মেম্বার তোফায়েল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকাল ১০টার দিকে পাঁচজনের জানাজা হয়েছে। তারা হলেন- রিদোয়ান, সজিব, মারুফ, হাসান এবং নিরু।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লাশগুলো দাফন করা হয়। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা এলাকায় মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। তাদের ১০ জনই হাটহাজারীর জুগিরহাট আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের ছাত্র-শিক্ষক। অন্যজন মাইক্রোবাসটির চালক। নিহতরা হলেন- হাটহাজারি উপজেলার আজিম সাব রেজিস্ট্রার বাড়ির হাজি মো. ইউসুফের ছেলে মাইক্রোচালক গোলাম মোস্তফা নিরু, চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইলিয়াছ ভুট্টোর ছেলে মোহাম্মদ হাসান, একই ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়ার আবদুল হামিদের ছেলে জিয়াউল হক সজীব,

৮ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজ মেম্বার বাড়ির জানে আলমের ছেলে ওয়াহিদুল আলম জিসান, মজিদ আব্বাস চৌধুরী বাড়ির বাদশা চৌধুরীর ছেলে শিক্ষক রিদুয়ান চৌধুরী, পারভেজের ছেলে সাগর ও একই এলাকার আবদুল ওয়াদুদ মাস্টার বাড়ির আবদুল মাবুদের ছেলে ইকবাল হোসেন মারুফ, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাফফর আহমেদের ছেলে মোসহাব আহমেদ হিসাম, আব্দুল আজিজ বাড়ির মৃত পারভেজের ছেলে তাসমির হাসান, মনসুর আলমের ছেলে মো. মাহিম এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু মুসা খানের বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে মোস্তফা মাসুদ রাকিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.