চিকিৎসকের কাছে নারীরা যেতেন চিকিৎসা নেয়ার জন্য। কিন্তু প্রেসক্রিপশন দেয়ার পাশাপাশি তাদের বিয়ে করে নিতেন চিকিৎসক। এভাবে একে একে সর্বমোট ১০৭টি বিয়ে করেছেন তিনি। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি এমন ঘটনা ঘটেছে আফ্রিকা দেশের নাইজেরিয়ায়। আলোচিত চিকিৎসকের নাম মোহাম্মাদ বেল্লো আবুবকর। ১০০ বেশি নারীকে বিয়ের রেকর্ড করেছেন তিনি। লোকটি বাবা মাসাবা নামেও বেশি পরিচিত, তিনি ছিলেন নাইজেরিয়ার এক বিতর্কিত কবিরাজ। তিনি সর্বমোট ১০৭টি বিয়ে করেন, যাদের ১০ জনকে তালাক দেওয়ার পরেও তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল ৯৭ জন।

সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে, যে এতো বেশি সংখ্যক স্ত্রী নিয়ে একই বাড়িতে বসবাস করতেন তিনি। শুধু তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভরে যাবে পুরো একটি গ্রাম। কারণ শতাধিক স্ত্রীর পাশাপাশি এই কবিরাজের ছেলে-মেয়ের সংখ্যাও ছিল ২০৩ জন। ইসলাম ধর্মে সর্বোচ্চ চারটি বিয়ে করার অনুমতি আছে পুরুষদের জন্য। সে ক্ষেত্রে পুরোপুরি সমতা রক্ষা করতে পারার শর্তে। কিন্তু বেল্লো আবুবকর নামে এই ব্যক্তি কোনো কিছু না মেনে করে গেছেন একের পর এক বিয়ে। ২০০৮ সালে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেফতার করেছিল তাকে। তখন তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল ৮৬ জন্য।

বিচারে চারজন স্ত্রী রেখে বাকি ৮২ জন স্ত্রীকে ডিভোর্সের নির্দেশ দেয় আদালত। কিন্তু তাতে রাজি হননি এই ব্যক্তি। এর ফলে দেশটির শরিয়া আদালত তার সর্বোচ্চ শাস্তি ঘোষণা দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে নাইজেরিয়ার হাইকোর্টের নির্দেশে মুক্তি পেল বেল্লো আবুবকর। বিয়ের রেকর্ড করা এই ব্যক্তি অধিকাংশ বিয়ে করেছেন তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসা মেয়েদেরকে।

তবে তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি না, বরং মেয়েরাই তাকে বিয়ে করতে আগ্রহী হয়। এর কিছুটা সত্যতা পাওয়া যায় ২০০৮ সালে। বেল্লো আবুবক গ্রেফতার হওয়ার পর তার স্ত্রী, সন্তানদের সাক্ষাৎকারে নিয়েছিল আল-জাজিরার। সে সময় স্বামীর পক্ষে বলেছিলেন স্ত্রী, সন্তানরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.