৩৩ বছরের আমাতুল ইসলাম। প্রথমে বিয়ে করেছিলেন মেয়ে মরিয়মকে। কিন্তু শাশুড়ি নাসরিনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। এরই জেরে ১১ বছর আগে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে যান তিনি। পরে শাশুড়িকে বিয়ে করে পাতেন সংসারও। তবে বেশি দিন সংসার করা হয়নি তার। কারণ ওই ঘটনায় আয়াতুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার শ্বশুর মতি মিয়া। ঘটনাটি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের।

রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জেলার আটপাড়া উপজেলার কৃষ্ণপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আয়াতুল মোহনগঞ্জ উপজেলার সমাজ-সহিলদেও ইউপির মেদিপাথরখাটা গ্রামের শাহ জামালের ছেলে। মোহনগঞ্জ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একই গ্রামের মতি মিয়ার মেয়ে মরিয়মকে বিয়ে করে আয়াতুল। একপর্যায়ে শাশুড়ি নাসরিনের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। পরে শাশুড়িকে নিয়ে পালিয়ে সিলেটে গিয়ে বিয়ে করে কয়েক মাস সংসার করেন তারা।

এ ঘটনায় ২০১১ সালে আয়াতুলকে আসামি করে মোহনগঞ্জ থানায় মামলা করেছিলেন মতি মিয়া। ২০১৩ সালে আয়াতুলকে দেড় বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো দুই মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক। রায়ের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। তবে দেড় বছর আগে মামলার বাদী মতি মিয়া মারা গেছেন বলে জানা গেছে। তিনি আরো বলেন, সোমবার সকালে আায়তুলকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.