পূর্ণিমার দ্বিতীয় বিয়ের খবরে অবাক হয়েছেন অনেকেই। সবচেয়ে বেশি অবাক হয়েছেন, প্রথম সংসার কবে ভাঙলো সেই তথ্য না জানতে পেরে! ১৫ বছর পূর্বে পূর্ণিমা যে বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সেটাও যে ভেঙে যেতে পারে, তা ভক্তরা অনুমানই করতে পারেননি।
২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয়েছিল এই চিত্রনায়িকার। ২০১৪ সালে কোলজুড়ে আসে

কন্যা সন্তান আরশিয়া উমাইজা। গত কয়েক বছর ধরে জামালের সঙ্গে আলাদাই থাকছিলেন।
হুট করেই বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ণিমা দিলেন বিয়ের খবর। পাত্র আশফাকুর রহমান রবিন। তিনি পেশায় বহুজাতিক একটি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। পড়াশোনা করেছেন সিডনির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

বিষয়টি নিয়ে আহমেদ ফাহাদ জামালেরও প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। কেননা পূর্ণিমার বিয়ের খবরের পর ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফাহাদ জামালকে ক্রমাগত ফোনকল ও মেসেজ করছিলেন, বিষয়টি আদতে কি জানার জন্য। আহমেদ ফাহাদ জামাল ফেসবুকে পূর্ণিমার নতুন জীবনের প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, ‘তার জন্য শুভ কামনা, আমার মেয়ের জন্য সমসময় দোয়া রাখবেন।’

একই পোস্টে অযাচিত ফোনকল ও মেসেজের কারণে বিরক্তি প্রকাশ করেন জামাল। তিনি লিখেছেন, ‘দয়া করে আমেক ফোন করা ও মেসেজ দেওয়া বন্ধ করুন। যা হয়েছে খুবই ভালো। মানুষের জীবনেই এটা হয়। আমি জানি।’

এদিকে এই চিত্রনায়িকা জানান, প্রায় তিন বছর ধরে আমরা আলাদা থাকছি। তবে ডিভোর্স কতদিন আগে হয়েছে এ বিষয়ে কিছু বলতে চাচ্ছিনা। কারণ যেটা ঘটে গেছে, সেটা আমার কাছে এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের ৮ বছর বয়সী মেয়ে আরশিয়া উমাইজা বর্তমানে আমার সঙ্গেই আছে।

রবিনের সঙ্গে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসার পর ফাহাদের সঙ্গে পূর্ণিমার বিচ্ছেদের খবর সামনে এল; তাদের কবে বিচ্ছেদ হয়েছে-তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.