দাম্পত্য সম্পর্কের গুরুত্ব বোঝাতে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন, স্ত্রীরা তোমাদের ভূষণ এবং তোমরা তাদের ভূষণ। (সূরা বাকারা, আয়াত- ১৮৭)
বৈবাহিক সম্পর্কের অনিবার্যতা প্রমাণিত হয় কোরআনের আরো একটি আয়াতের মাধ্যমে। আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, তোমাদেরকে আমি সৃষ্টি করেছি (স্বামী স্ত্রীরূপে) জোড়ায় জোড়ায়। (সূরা নাবা, আয়াত- ৮)

একজন আদর্শ স্ত্রী তার স্বামীকে শারীরিক, মানসিক তৃপ্তি দেয়, ব্যাভিচারের মত জগন্য কাজ থেকে বাঁচায়। স্বামীর পোশাক ধুয়ে দেয়, রান্না করে খাওয়ায়, ঘর সাজিয়ে রাখে। বাড়ি-ঘর পরিষ্কার রাখে, বাড়িতে আসা মেহমানদের আপ্যায়ন করে, বৃদ্ধ মা, বাবার সেবা যত্ন করে, বাবা হতে সাহায্য করে। কিন্তু সেই স্ত্রী যদি ভাবি হয়, তাহলে কি জায়েয?

ভাবিকে বিয়ে করা জায়েজ, যদি ভাই তালাক দেয় কিংবা ভাই মারা যায়। কিন্তু, এ দুটোর একটিও যদি নয় হয়, তাহলে হারাম। ভাই জীবিত আছে—এ অবস্থায় ভাবির সঙ্গে এ ধরনের সম্পর্ক হারাম। কিংবা বিয়ের জন্য তাকে উত্তেজিত করা কিংবা পরকীয়া করা—এসব হারামের চেয়েও বড় অপরাধ। কারণ, আপনি এক দিক থেকে ব্যাভিচারে লিপ্ত হবেন, আরেক দিকে একটি সংসার ভাঙছেন। তাই এটি ভয়ংকর অপরাধ। সুতরাং এ ভয়ংকর অপরাধ থেকে বিরত থাকুন।

আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেছেন, তোমরা মুশরিক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। ইসলাম গ্রহনকারী ক্রীতদাসীও মুশরিক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে (মুশরিক রমনী) তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরিকের তুলনায় অনেক ভালো, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। (সূরা বাকারা,আয়াত-২২১)
এছাড়া অন্য পুরুষের বিবাহে থাকা স্ত্রীও অপর পুরুষের জন্য নিষিদ্ধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.