কাঁচা কাঁঠাল কিংবা এঁচোড়ের তরকারির ভক্ত আছেন অনেকেই। গরম ভাতে প্লেটের একপাশে এঁচোড়ের তরকারি হলে আর কিছু লাগে না। আর সঙ্গে থাকে যদি চিংড়ি মাছ, তাহলে তো কথায় নেই। স্বাদের ষোল আনা পূর্ণ হয়ে যায়। এখন তো কাঁচা কাঁঠালের সময়। গ্রাম থেকে শহরে খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারবেন কাঁচা কাঁঠাল। বাড়ি কর্তার মন জোগাতে হোক বা অতিথি আপ্যায়ন, এঁচোড় চিংড়ির জুড়ি মেলা ভার। আর এটি রান্না করাও কিন্তু বেশ সহজ। চলুন জেনে নেয়া যাক এঁচোড় চিংড়ি রান্না করার সহজ রেসিপিটি-
উপকরণ: কাঁচা কাঁঠাল একটি, চিংড়ি আধা কাপ, লবণ পরিমাণ মতো, হলুদ গুঁড়া পরিমাণ মতো, সরিষার তেল পরিমাণ মতো, দারুচিনি পরিমাণ মতো, লবঙ্গ চারটি, এলাচ চারটি, তেজপাতা একটি, পেঁয়াজ বাটা এক চা চামচ, টমেটো বাটা এক চা চামচ, আদা-রসুন বাটা এক চা চামচ, মরিচ বাটা আধা চা চামচ, জিরা গুঁড়া এক টেবিল চামচ, ধনিয়া গুঁড়া এক টেবিল চামচ, গরম মশলা গুঁড়া পরিমাণ মতো।

প্রণালী: প্রথমে মাঝারি আকারের একটা কাঁচা কাঁঠাল কেটে নিন। এরপর ভালোভাবে ধুয়ে লবণ-হলুদ দিয়ে কিছুক্ষণ সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। তারপর একটি কড়াইতে সরিষার তেল নিয়ে তাতে দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ ও তেজপাতা ফোড়ন দিন। এবার একে একে পেঁয়াজ বাটা, টমেটো বাটা, আদা – রসুন বাটা, কাঁচা মরিচ বাটা, ধনিয়া গুঁড়া, জিরা গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।

মশলা কষানো হলে তাতে চিংড়ি ও আগে থেকে সিদ্ধ করে রাখা কাঁচা কাঁঠালের টুকরাগুলো দিয়ে ভালো করে নেড়েচেড়ে নিন। তারপর একটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়ে মিনিট পনেরোর মতো ঢেকে রাখুন। চুলার আঁচ খুব বেশি রাখবেন না। মাঝে মাঝে ঢাকনা তুলে নেড়ে দেবেন। সবশেষে নামানোর আগে গরম মশলার গুঁড়া ছিটিয়ে নামিয়ে নিন। হয়ে গেলো সস্বাদু এঁচোড় চিংড়ি। এবার পরিবেশেন করুন মজাদার এই রেসিপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.